![]() |
| Adsterra |
Radha Krishna priam রাধা কৃষ্ণের প্রেম radhakrishnapriam
Ads 728x90
![]() |
| Adsterra |
কী বলছে বিজেপি? চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতার
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতার ও সেদেশে সংখ্যালঘুদের ওপরে কথিত হামলার
বিজেপির লক্ষ্য স্থানীয় হিন্দু ভোট?
বিজেপি বা অন্য কোনও হিন্দুত্ববাদী সংগঠন মুখে বেশ আগ্রাসী প্রতিক্রিয়া দেখালেও রাস্তায় নেমে বিশেষ কোনও প্রতিবাদ যে এখনও দেখা যাচ্ছে না, তার কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে কেউ কেউ বলছেন যে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারের এবং বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলার ঘটনাগুলোর প্রতিবাদ হিন্দুত্ববাদীদের আসল লক্ষ্য নয়।
“বাংলাদেশের ঘটনাক্রম নিয়ে বিজেপি বা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো যে কড়া প্রতিক্রিয়া বা বিবৃতি দেয়, তার আসলে লক্ষ্য হল পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে হিন্দু ভোট এক-জোট করা। আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গে এই পদ্ধতি তারা দীর্ঘদিন ধরেই অনুসরণ করছে, সম্প্রতি একই নীতি তারা প্রয়োগ করছে ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশাতেও। এই গোটা অঞ্চলে নানাভাবে তারা বাংলাদেশটাকেই ইস্যু করে তুলেছে,” বলছিলেন ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির বিশ্লেষক স্নিগ্ধেন্দু ভট্টাচার্য।
তার কথায়, “এই পুরো অঞ্চলে বাংলাভাষী মুসলমানদের বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করছে, আবার হিন্দুদের বলছে তোমরা যদি বাংলাদেশের মতো টালমাটাল পরিস্থিতিতে পড়তে না চাও তাহলে এলাকা থেকে মুসলমান হটাও।”
“আগে কথায় কথায় মুসলমানদের পাকিস্তানে চলে যেতে বলা হত, এখন সেটা বদলিয়ে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশে চলে যাও,” বলছিলেন, মি. ভট্টাচার্য।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নামে মামলা
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে মামলা
ভগবান সাকার না নিরাকার,Bhagabana sakara
#ভগবান_সাকার_নাকি_নিরাকার,Bhagabana sakara na niraka
হিন্দু ধর্মের সকল দাদা দিদিদের "“আমরা সনাতন পরিবার"" ইউটিউব চ্যানেলে স্বাগতম | আপনাদের ভালবাসা ও আশীর্বাদে আমরা সনাতন পরিবার চ্যানেল অনেক দূর এগিয়ে গেছে | আশা করি আগামী দিন গুলতেও নতুন নতুন কীর্তন উপহার দিবো এবং আপনাদের পাশে পাবো | তাই যতটুকু সম্ভব আপনারা ধর্ম প্রচারের ভিডিও গুলো দেখুন, শেয়ার করুন, কমেন্ট করে মতামত জানান, লাইক দিন আর অবশ্যই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে ধর্ম প্রচারে অংশগ্রহন করুন ।....প্রচারে : #HoreKrishna30/ আমরা সনাতন পরিবার।
সংস্কৃত ধূ-ধাতু থেকে ধর্ম শব্দের উৎপত্তি। (ধৃ+ম = ধর্ম) ধূ-ধাতুর অর্থ হল ধারণ করা। অর্থাৎ যা মানুষকে ধারণ করে রাখে তাই ধর্ম। ধর্ম সত্য-- ও সুন্দর জীবন যাপনের পথ নির্দেশ করে এবং মানুষের সকল প্রকার কল্যাণ সাধন করে। কাজেই আমাদের সকলেরই ধর্ম মেনে চলা উচিত।
ধর্মের স্বরূপ ও লক্ষণ :
মনুসংহিতায় আছে ধর্ম কতকগুলাে গুণের সমষ্টি। সে গুণগুলাে যার মধ্যে থাকে তিনিই ধার্মিক।-
এই গুণগুলাে হল সহিষ্ণুতা, ক্ষমা, দয়া, চুরি না করা, শুচিতা, ইন্দ্রিয়সংযম, শুদ্ধবুদ্ধি, জ্ঞান,
সত্য ও অক্রোধ। এই দশটিকে ধর্মের স্বরূপ বা বাহ্য লক্ষণ বলে।
বেদঃ স্মৃতিঃ সদাচারঃ
স্বস্য চ প্রিয়মাত্মনঃ।
এতচ্চতুর্বিধং প্রাঃ
সাক্ষাৎ ধর্মস্য লক্ষণম্।।
অর্থাৎঃ বেদ, স্মৃতি, সদাচার ও বিবেকের বাণী এই চারটি ধর্মের সাধারণ লক্ষণ। এই চারটিকে ক্রমান্বয়ে অনুসরণ করে ধর্মাধর্ম নির্ণয় করতে হয়।
ধর্ম মেনে চলা উচিত কেন :
উপনিষদে বলা হয়েছে। “মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ উপায় প্রেয় ও শ্রেয়। প্রেয় অর্থ বাঞ্ছিত, প্রিয়, মনােমত আর শ্রেয় অহা মঙ্গল, শুভ বা পরম কল্যাণ। অর্থাৎ কর্ম ও ধর্মের মধ্য দিয়ে বাঞ্ছিত মঙ্গললাভ করাই হল মানুষের আকাঙ্ক্ষার বস্তু। ধর্ম পালন করলে জীবন সুন্দর হয়। ধন, জন, মান, যশ, সুখ ইত্যাদি লাভ হয়। পরলােকেও মঙ্গল সাধিত হয়। ধর্ম মানুষের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল সাধন করে। শাস্ত্রে আছে, “ধর্ম নষ্ট হলে নাশ করে, রক্ষিত হলে রক্ষা করে। তাই কখনও ধর্ম নষ্ট করতে নেই। সুখেই হােক, দুঃখেই হােক সবসময় ধর্মপথে থাকতে হবে। কেননা “ধর্মমূলং হি ভগবান' অর্থাৎ ভগবান ধর্মের মূল। ধর্ম মেনে চললে ভগবান খুশি হন। জীবন সুখের হয়। দুঃখের সময়েও প্রানে শান্তি আসে। ধর্ম অনুশীলন দ্বারা মনুষ্যত্ব লাভ হয়। মনুষ্যত্ব ছাড়া মানুষের জীবন পূর্ণাঙ্গ হয় না! ধর্ম ছাড়া। কোন দেশ ও জাতি বড় হয় না। তাই মনুষ্যত্ব লাভের জনং সকলেরই ধর্ম মেনে চলা উচিত
Ads 728x90